সারাদেশ
১৩ দফা দাবিতে নোবিপ্রবি শিবিরের স্মারকলিপি প্রদান

সংগৃহীত
ছাত্রসংসদ নির্বাচন, শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিতকরণ ও ফ্যাসিবাদমুক্ত ক্যাম্পাস বিনির্মাণের লক্ষ্যে ১৩ দফা প্রস্তাবনা জানিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের নোবিপ্রবি শাখা।
রোববার (৩০ নভেম্বর) নোবিপ্রবি প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান ও রেজিস্টার তামজিদ হোসাইন চৌধুরির কাছে স্মারকলিপিটি হস্তান্তর করা হয়। এ সময় নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরিফুল ইসলাম ও সেক্রেটারি আরিফুর রহমান সৈকতসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে দাবিগুলো তুলে ধরেন তারা।
অন্য দাবিগুলো হল-আবাসন সমস্যা সমাধান, পরিবহন, শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন সংক্রান্ত, নিরাপত্তা ও পরিবেশ সংক্রান্ত, অবকাঠামো সংক্রান্ত, লাইব্রেরি সংক্রান্ত, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় উপাসনালয় সংক্রান্ত, নিয়োগ সংক্রান্ত, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মেডিকেল সেন্টারে সংক্রান্ত, শরীরচর্চা কেন্দ্র সংক্রান্ত ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সংক্রান্ত।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, স্বৈরাচারী আওয়ামী শাসনকালে বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পরিণত করা হয় ফ্যাসিবাদী মনস্তত্ত্ব কায়েমের কারখানায়। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশকে নষ্ট করে শিক্ষার্থীদের ওপর চলে এসেছে নানামুখী নির্যাতন ম-নিপীড়ন। গেস্টরুম-গণরুমের ভয়াবহতা অসংখ্য শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও মানসিক স্বাস্থ্যকে চূর্ণবিচূর্ণ করেছে। একইসাথে সারাদেশে নানা কৌশলে উন্নয়নের নামে যে অপব্যয় ও লুটপাট চালানো হলো, ক্যাম্পাসগুলোও সেই আওতার বাইরে ছিল না।
এই প্রসঙ্গে নোবিপ্রবি ছাত্রশিবির সভাপতি আরিফুল ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাসের সংকট ও শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা বিবেচনা করে প্রদত্ত প্রস্তাবনার আলোকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্রুততম সময়ে টেকসই সমাধানের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এরই প্রেক্ষিতে বৈষম্যহীন, নিরাপদ ও ফ্যাসিবাদমুক্ত ক্যাম্পাস গঠনের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের স্পিরিটের প্রতিফলন ঘটবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। একটি আদর্শ, নিরাপদ ও বৈষম্যবিহীন ক্যাম্পাস বিনির্মাণে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, নোবিপ্রবি শাখা সর্বাত্মক সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ এফ এম আরিফুর রহমান বলেন, স্মারকলিপি যে কেউই দিতে পারে তবে রাজনৈতিক ব্যানারে না দেওয়াই ভালো আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চিন্তা করছি যে কেমন ক্যাম্পাস চাই এমন একটি মতবিনিময় হবে যেহেতু আমাদের ২০ বছরের একটা বাইন্ডিংস আছে রাজনীতি করার ব্যাপারে সামনে ২০২৬ সালে সে বাইন্ডিংস টা সরে যাবে তার আগের দিন আমরা ‘কেমন রাজনৈতিক পরিবেশ চায়’ সেটা নিয়ে আমরা মতবিনিময় করবো সে ক্ষেত্রে সবাই যদি ছাত্র সংসদের ব্যাপারে মতামত দেয় আমরা সেই দিকে আগাবো।







