জাতীয়

তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর

বিডিআর হত্যাকণ্ড ধামাচাপা দিতে জে. তারেক সিদ্দিকের নেতৃত্বে প্যারালাল সেনা কমান্ড

নিউজ ডেস্ক

শেয়ারঃ

বিডিআর হত্যাকণ্ড ধামাচাপা দিতে জে. তারেক সিদ্দিকের নেতৃত্বে প্যারালাল সেনা কমান্ড

বিডিআর হত্যাকণ্ড ধামাচাপা দিতে জে. তারেক সিদ্দিকের নেতৃত্বে প্যারালাল সেনা কমান্ড গঠন করা হয় হয় বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিশন। কমিশনের প্রধান ও বিডিআরের সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব) আ ল ম ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহম্মদ ইউনূসের কাছে এই রিপোর্ট হস্তান্তর করা হয়। রোববার সন্ধ্যায় রিপোর্ট হস্তান্তর করার পর সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারিতে ঘটে যাওয়া বিডিআর হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে জেনারেল তারিক সিদ্দিকের নেতৃত্বে প্যারালালে সেনা কমান্ড তৈরি করেছিলেন সাবেক ফ্যাসিবাদী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার নির্দেশে তারিক সিদ্দিকী ও তার সহযোগীরা এই হত্যাকান্ডকে ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য সব ধরনের তৎপরতা চালায়।


২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বিডিআরের সদর দপ্তরে বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তৎকালীন ডিজি মেজর জেনারেল শাকিল আহমদসহ ৫৭জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। সেই সময় এই ঘটনায় পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল মঈন ইউ আহমদসহ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠে।


এই ঘটনায় দুইটি মামলায় বিডিআর সদস্যদের সাজা হলেও নেপথ্যের নায়করা ধরা ছোয়ার বাইরে ছিলেন। এই রহস্য উদঘাটন ও দোষীদের চিহ্নিত করতেই এই তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়।


সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে কমিশন তাদের দাখিল করা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনার সময় বেশ কয়েকজন ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করে। কিন্তু তাদের বের হয়ে যাওয়ার কোনো রেকর্ড পাওয়া যায়নি।


দুবাইতে একটা বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করে এদের পার করে দেয়া হয় বলে জানা যায়। তবে তারিক সিদ্দিকের ওই প্যারালাল কমান্ডের চাপে ওই সময় দুটি কমিটি গঠিত হলেও সিভিল এভিয়েশনের কেউ এ নিয়ে মুখ খোলেনি বা অফ রেকর্ডেড ওই ফ্লাইটের অপারেশনকে বাধা দিতে পারেনি।


প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, একই ভাবে আরো কিছু ভারতীয় নাগরিকের চলে যাওয়ার রেকর্ড আছে তবে ঢোকার রেকর্ড নেই। ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, জাহাঙ্গীর কবির নানক , ওয়ারেস হোসেন বেলার এমপি, মির্জা আজম, আসাদুজ্জামান নূর ও শেখ সেলিম, সাবেক বিডিআর সদস্যা তোরাব আলী ও তার ছেলে লেদার লিটন বিডিআর হত্যাকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।


সম্পর্কিত খবর