চাকরি
নির্বাচনের আগেই প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ
ছবি : সংগৃহীত
দেশের বেশিরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক; এছাড়া ২৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষকের পদও ফাঁকা। ফলে শিক্ষক সংকটে হাবুডুবু খাচ্ছে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম। বিদ্যমান শিক্ষক–সংকট শিক্ষার্থীদের শিখন ঘাটতিকে প্রকট করে তুলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অভিভাবক ও শিক্ষাবিদরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মামলা, শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে প্রশাসনিক জটিলতা, নিয়োগ পরীক্ষায় দেরি, পদোন্নতিতে ধীরগতির কারণে এ সংকট তৈরি হয়েছে। তবে সব সংকট কাটিয়ে উঠে নির্বাচনের আগেই ১৪ হাজার বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
সংস্থাটির দেওয়া তথ্যের মতে, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের অনুমোদিত ৬৫ হাজার ৪৫৭টি পদের বিপরীতে ৩৪ হাজার ১০৬টি পদ শূন্য। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত তিন লাখ ৫৫ হাজার ৬৫৩টি পদের মধ্যে ২৪ হাজার ৫৩৬টি পদ শূন্য। আর মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদগুলোর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৫টি পদে চলতি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাকিগুলো এমনিতেই চলছে।
বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সহকারী শিক্ষক ও অভিভাবকরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকের এসব পদ শূন্য থাকায় প্রভাব পড়েছে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমেও। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক বিদ্যালয়ে এক থেকে তিনজন শিক্ষক দিয়েও চলছে বিদ্যালয়ের ক্লাস পরীক্ষা।
এ সংকট কাটাতে নির্বাচনের আগেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪ হাজার ৩৮৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চেষ্টা করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। স্বল্প সময়ে আবেদন নিয়ে পরীক্ষা গ্রহণ শেষে এবার দ্রুত ফল প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে তিন জেলায় মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগেই চূড়ান্তভাবে এ নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের।







