রাজনীতি
ভোটে কারচুপির অভিযোগে বিক্ষোভের ডাক দিল ১১ দলীয় জোট

ছবি : সংগৃহীত
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপি এবং নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন সহিংসতার অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এর প্রতিবাদে তারা এবার রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে। ইতোমধ্যে কর্মসূচিও ঘোষণা করেছেন জোটের নেতারা।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামীকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল ১১ দলীয় জোট।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করার পর এ কর্মসূচি ঘোষণা করে ১১ দলীয় জোট। এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপি এবং নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন সহিংসতার অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা।
এদিন দুপুর ১২টার দিকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশনে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনের পর জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে। এসব হামলার প্রতিবাদে সোমবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করবে ১১ দলীয় জোট।
জামায়াতের এ নেতা অভিযোগ করেন, কালো টাকার ব্যবহারসহ ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করা হয়েছে। লক্ষ্য করা গেছে, কোনো কোনো কেন্দ্রে কর্তব্যরত কর্মকর্তারা নিজে সিল মেরেছেন। আবার ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়া হয়েছে, ভীতি ছড়ানো হয়েছে। এসব কারণে ভোট কাস্টিং কম হয়েছে। আমরা যারা একসঙ্গে নির্বাচন করেছি, তাদের পক্ষ থেকে বারবার কমিশনকেও বলা হয়েছে, স্থানীয়ভাবেও বলা হয়েছে। কিন্তু এর কোনো পদক্ষেপ আমরা সন্তোষজনকভাবে পাইনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু কিছু কেন্দ্রে অস্বাভাবিক ভোট কাস্টিং হয়েছে। এখানে অতিরিক্ত ব্যালট ব্যবহার হয়েছে। সবমিলে নির্বাচন প্রক্রিয়া ভালো ছিল না। ভোটগণনার সময় এজেন্টদের ফোর্স করে বের করে দেওয়া হয়েছে। ভোটের রেজাল্ট শিট ঘষামাজা করা হয়েছে। ঢাকা-৬ আসনের এজেন্ট পরিবর্তন হয়েছে।







