রাজনীতি
এমপি কর্নেল আব্দুল বাতেনের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল বাতেন ও তার নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুরে মিরপুর-৬ নম্বর কাঁচাবাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে চলন্তিকা মোড়, মিল্কভিটা এলাকা হয়ে মিরপুর-১১ নম্বরে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও আসন পরিচালক অধ্যক্ষ নাসির উদ্দীন, রূপনগর থানা আমির আবু হানিফ, পল্লবী উত্তর থানা আমির মাওলানা সাইফুল কাদের, পল্লবী দক্ষিণ থানা আমির আশরাফুল আলম, পল্লবী মধ্য থানা আমির মো. রইসুল ইসলামসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও আসন পরিচালক অধ্যক্ষ নাসির উদ্দীন বলেন, মূলত ময়লা অপসারণের অতিরিক্ত টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ময়লার জন্য ৪০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও এলাকায় ভেদে ১০০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছিল। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় আমাদের নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
তিনি আরও বলেন, একজন সংসদ সদস্য স্বাধীনভাবে কাজ করবেন—এটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু ঢাকা-১৬ আসনে তা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ তিনি বিভিন্ন ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এতে স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ক্ষুব্ধ হয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালিয়েছে এবং আমাদের নেতাকর্মীদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
উল্লেখ্য, রোববার (৮ মার্চ) ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আব্দুল বাতেনের উন্নয়নমূলক কাজে বাধা প্রদানসহ তার নেতাকর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে রোববার রাতে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এর প্রতিবাদ জানান।
আব্দুল বাতেন বলেন, রোববার আমার নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে বাউনিয়া এলাকায় যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার কারণে সেই কর্মসূচি বাতিল করতে হয়। পরে রূপনগরের চলন্তিকা মল্লিকা মসজিদে নামাজ আদায় করে মুসল্লিদের সঙ্গে মতবিনিময় করি। সেখানেও বিএনপির নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়তে হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক মন্টু মিয়া, সিরু, লিটন, মহাসিন, সোহাগসহ শতাধিক নেতাকর্মীর নেতৃত্বে এসব বাধা দেওয়া হয়। তাদের হামলায় আমাদের পাঁচজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, যার মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মীরা শুধু হামলাই চালায়নি, তারা আমাদের দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।’







