রাজনীতি

পিরোজপুরে ছাত্রদল নেতার ক্ষোভ

যেখানেই টাকা, সেখানেই আমাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ

নিউজ ডেস্ক

শেয়ারঃ

যেখানেই টাকা, সেখানেই আমাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ

ছবি : সংগৃহীত

যেখানেই টাকা সেখানেই আমাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ। নেতাদের আচরণে ক্ষুব্ধ হয়ে এমন মন্তব্য করেছেন পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন। তিনি বলেছেন, বিএনপি থেকে যদি এদের বের করে দেওয়া হয়, তাহলে পিরোজপুরের মাটিতে তাদের কেউ সালামও দেবে না।


মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী নুরুজ্জামান বাবুলের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে আয়োজিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।


জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদারের সভাপতিত্বে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম খান, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সালাম বাতেন, সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন টিপু, জেলা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কে এম সাখাওয়াত হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি শেখ শহীদুল্লাহ শহীদ এবং প্রয়াত গাজী নুরুজ্জামান বাবুলের ছেলে গাজী কামরুজ্জামান শুভ্র।


গাজী নুরুজ্জামান বাবুলের মৃত্যুবার্ষিকীতে জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতারা কোনো আয়োজন না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মাহমুদ হাসান শাহীন বলেন, আজ যার স্মরণ সভা, সেই গাজী নুরুজ্জামান বাবুল দেশের জন্য যুদ্ধ করেছেন। পিরোজপুরে জাতীয়তাবাদী দলের তিনি একজন অভিভাবক ছিলেন। এই দলের জন্য তিনি কী না করেছেন, জেল খেটেছেন, বুক চিতিয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছেন। কিন্তু অতি দুঃখের বিষয়, আজ বিএনপি ক্ষমতায় এলেও তিনি আমাদের মাঝে নেই। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদের আয়োজনও করা হয়নি।


জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর যারা কোটিপতি হওয়ার চিন্তা করছেন, যারা অফিস আদালতে দৌড়াচ্ছেন। গাজী নুরুজ্জামান বাবুলই আপনাদের বিএনপি করা শিখিয়েছেন। দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, তার জন্য আপনারা কেউ একটি মিলাদের আয়োজন করেননি। তিনি যদি আজ বেঁচে থাকতেন, তাহলে ৫ আগস্টের পর সিনিয়র নেতৃবৃন্দের যে আচরণ দেখছি, সেগুলো আর দেখতে হতো না। আমাদের মধ্য থেকে কেউ মারা গেলেও মনে হয় না পিরোজপুরের বিএনপি একটি মিলাদ করবে। দেখছি, সবাই যার যার আখের গোছাতে পাগল হয়ে গেছে। টাকা আর টাকা। যেখানেই টাকা, সেখানেই আমাদের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।


এ সময় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে বলা হয়, পিরোজপুরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকে যারা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন বা দলের জন্য অবদান রেখেছেন, তাদের প্রত্যেকের মৃত্যুবার্ষিকীতে মিলাদের আয়োজন করা হবে।



সম্পর্কিত খবর