রাজনীতি

জামায়াত লড়বে ১৭৯ আসনে

স্টাফ রিপোর্টার

শেয়ারঃ

জামায়াত লড়বে ১৭৯ আসনে

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১০টি দল নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছেছে। যদিও এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক‍্য’।

তবে এই উদ্যোগে শুরু থেকে যুক্ত থাকা ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত সমঝোতা হয়নি। দলটির জন্য ৪৭টি আসন ফাঁকা রেখে বাকি ২৫৩ আসেন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৭৯ আসনে লড়াই করবে।


গতকাল রাতে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সংবাদ সম্মেলন করে এই নির্বাচনী মোর্চার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।


ঘোষিত নির্বাচনী সমঝোতা অনুযায়ী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এককভাবে ১৭৯ আসনে প্রার্থী দেবে। বাকি আসনগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৩০টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২০টি, খেলাফত মজলিস ১০টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি ৩টি, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ও নেজামে ইসলাম পার্টি ২টি করে আসনে প্রার্থী দেবে। কিছু আসন উন্মুক্ত থাকবে।


এই নির্বাচনী মোর্চার অন্য দুটি দল বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) কোনো প্রার্থী দেবে না। তবে দল দুটি নির্বাচনী ঐক্যে শরিক থাকছে।

দলভিত্তিক আসনসংখ্যা ঘোষণা করেন জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।


সংবাদ সম্মেলন শেষে ১০ দলের শীর্ষ নেতারা হাতে হাত ধরে ওপরে তুলে ধরে ঐক্যের বার্তা দেন। এ সময় উপস্থিত নেতা-কর্মীরা ‘নারায়ে তাকবির, আল্লাহু আকবার’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান বলেন, জোট ভাঙেনি, জোট আছে। কোনো একটা দল যে কারণেই হোক একমত হলো না। এর মানে তো জোট ভাঙা নয়। এটি আসলে জোটও নয়, নির্বাচনী ঐক্য।


ইসলামী আন্দোলনের নাম উল্লেখ না করে জামায়াতের আমির বলেন, ‘একটি দল সূচনায় আমাদের সঙ্গে ছিল, কিন্তু এখানে দেখা যাচ্ছে না। এটা ভাঙনের কোনো ব্যাপার নয়। তাঁরা নিজেদের নিয়ে আরও বোঝাপড়া করছেন। তাঁদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ আছে। তাঁরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন। আমরা আশা করছি, তাঁরা আমাদের সঙ্গে থাকবেন।’



সম্পর্কিত খবর