সারাদেশ
ফেনীতে তেল না পেয়ে হট্টগোল, পাম্পে পাথর নিক্ষেপ

ছবি : সংগৃহীত
ফেনীতে অকটেন না পেয়ে মোটরসাইকেল চালকরা ক্ষুব্ধ হয়ে পাম্পে ইট পাথর ছোড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া পাম্পে ঝুলানো জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা ব্যানার ছিড়ে ফেলা হয়েছে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রোববার (২৯ মার্চ ) রাত দুইটার দিকে জেলা শহরের মেসার্স আবদুল কুদ্দুছ ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান মোরশেদ জানান, তারা রোববার বিকাল থেকে বারবার হ্যান্ড মাইকে ঘোষণা দিয়েছেন যে রাত ১১ টার পর অকটেন ও ডিজেল বিক্রি বন্ধ রাখবেন। টানা জ্বালানি দিতে গিয়ে পাম্পের স্টাফরা অসুস্থ হয়ে যাচ্ছেন। রাত ১০ টার দিকে সর্বশেষ ঘোষণা দেওয়া হয় ১১ টার পর বন্ধ থাকবে পাম্প।
কিন্তু এসব ঘোষণা কানে নেননি মোটরসাইকেল চালকরা। রাত ১১ টার দিকে তেল বিক্রি বন্ধ করলে লাইনে থাকা চালকরা হট্টগোল শুরু করে।
মোরশেদ বলেন, তখনও লাইনে অন্তত দেড়শ মোটরসাইকেল ছিল। তারা সবাই একসঙ্গে হর্ণ বাজিয়ে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করে। কয়েকজন পাম্পের দিকে ইট পাথর ছুড়ে মারে। ছিড়ে ফেলেন পাম্পে ঝুলানো জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা ব্যানার। স্টাফরা সবাই ভয়ে অফিস কক্ষে ঢুকে পড়েন। তখন পাম্পে কয়েকজন পুলিশ সদস্য সেখানে দায়িত্ব পালন করছিলেন। উত্তেজিত চালকরা পুলিশের সাথেও খারাপ ব্যবহার করে। কিছুতেই সামাল দিতে পারছিলনা তারা। পরে থানা ও সদর উপজেলা প্রশাসনকে জানালে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য পাম্পে আসেন।
এভাবে চলতে থাকলে তারা অকটেন বিক্রি বন্ধ রাখার চিন্তা ভাবনা করবেন বলে জানান পাম্পের ম্যানেজার মাহমুদুল হাসান মোরশেদ।
এবিষয়ে ফেনী মডেল থানার ওসি ফৌজুল আজিম যুগান্তরকে জানান, মোটরসাইকেল চালকরা তেল না পেয়ে হট্টগোল শুরু করে। এসময় পাম্পে কয়েকটি ইট পাথর ছোড়া হলেও কোন ক্ষতি হয়নি। পরে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য পাম্পে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।
খবর পেয়ে ওই সময় পাম্পে যান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুজিবুর রহমান। তিনি ঘটনা সম্পর্কে যুগান্তরকে বলেন, পাম্পে তখন অনেক ভিড় ছিল। মোটরসাইকেল চালকরা একটা 'মব' তৈরি করার চেষ্টা করেছিল। তখন আমি হেলমেট না থাকায় একজনকে ৫০০ টাকা জরিমানা করি। এটা দেখে যাদের কাগজপত্র ছিলনা তারা চলে যান এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।






