রাজনীতি
কারাগারে বিএনপি নেতার মৃত্যু, সাবেক এমপি-ডিসি-এসপি আসামি

ছবি : সংগৃহীত
সরকার, সাবেক ভারপ্রাপ্ত জেলার আক্তারুজ্জামান, সাবেক জেল সুপার জাকির হোসেন, তৎকালীন কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন, পুলিশ পরিদর্শক সঞ্জয় কুমার কুণ্ডু, সাব-ইন্সপেক্টর লিপন সরকার, সাব-ইন্সপেক্টর কাজি মেহেদী হাসান, সাব-ইন্সপেক্টর সোহেলী আক্তার, শহরের কোর্টপাড়া এলাকার মৃত চাঁদ আলী মুক্তারের ছেলে আবুল হাশেম, সাবেক কারারক্ষী লিমন হোসেন ও মিরপুর উপজেলার তাঁতিবন্দ এলাকার মৃত নেহাল মণ্ডলের ছেলে তারেক নেহাল তপে।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৯ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দলীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপির নেতাকর্মীরা কুষ্টিয়া ডিসি অফিসসংলগ্ন স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জানাতে যান। এ সময় পুলিশ ও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। এছাড়া শামিম আরজুসহ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়।
আটক অবস্থায় পুলিশের নির্যাতনে আরজু অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর অবস্থার অবনতি হলে তিনি মারা যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদী এসএম ফুয়াদ শামীম বলেন, বাবাকে কারাগারে নির্যাতন করা হয়েছে। চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। সাবেক এমপির নির্দেশে আটক করেছিল পুলিশ। অসুস্থতার কথা ডিসিকে জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি। জামিন দেয়নি। নির্যাতন ও যথাযথ চিকিৎসার অভাবেই বাবার মৃত্যু হয়েছে দাবি করে দায়ীদের দ্রুতবিচার দাবি করেন ছেলে।
বাদীর আইনজীবী নুরুল কাদের বলেন, বিএনপি নেতা এমএ শামিম আরজু কারাগারে পুলিশের নির্যাতনে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে মারা গিয়েছেন। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করা হয়েছে। মামলা করতে গেলে গুমের ভয় দেখাত ফ্যাসিস্টরা। তাই এতদিন মামলা করতে পারিনি।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, এ সংক্রান্ত আদালতের কোনো নির্দেশনা এখনো হাতে পাইনি।




