সারাদেশ
সাড়ে ৪ বছর পর বড়লেখায় ইউপি সদস্য সোনামের শপথ গ্রহণ

ছবি : সংগৃহীত
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার নিজ বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য রশিদ আহমদ সোনাম প্রায় সাড়ে চার বছর আইনি লড়াই শেষে শপথ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ইউপি সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
উপজেলা পরিষদ সেমিনার কক্ষে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান ইউএনও মাহবুবুল আলম মাহবুব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাঈমা নাদিয়া, উপজেলা নির্বাচন অফিসার হাফিজুর রহমান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাওলাদার আজিজুল ইসলাম।
জানা গেছে, ২০২১ সালের ২৮ নভেম্বর ইউপি নির্বাচনে বড়লেখার গল্লাসাঙ্গন দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ইউপি সদস্য পদে ফুটবল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন রশিদ আহমদ সোনাম। ভোট গণনায় জালিয়াতি করে প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তারা রশিদ আহমদ সোনামের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী খসরুজ্জামানকে ৫ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করেন। ভোট জালিয়াতির ঘটনায় ভুক্তভোগী রশিদ আহমদ সোনাম নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
ওই মামলায় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে মৌলভীবাজার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ জালাল উদ্দিন ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে ফেল করানো রশিদ আহমদ সোনামকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। সংশোধিত গেজেট প্রকাশের পর শপথ গ্রহণের পূর্বমুহূর্তে প্রতিপক্ষ খসরুজ্জামানের রিট পিটিশনে তার শপথ গ্রহণ আটকা পড়ে।
সর্বশেষ গত ৯ জুলাই হাইকোর্ট বেঞ্চ খসরুজ্জামানের দায়েরকৃত রিট পিটিশনটি সরাসরি খারিজ করেন। একই সঙ্গে আদালত নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের মূল রায় বহাল রেখে আগের সব স্থগিতাদেশ বাতিল ঘোষণা করেন।
অবশেষে ৯ আগস্ট মৌলভীবাজার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রুবেল মাহমুদ ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ সোনামকে ইউপি সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করাতে বড়লেখা ইউএনওকে নির্দেশ দেন।
এদিকে শপথ গ্রহণ করেই নিজ ইউনিয়ন পরিষদে গেলে ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিসেবে রশিদ আহমদ সোনামকে বরণ করেন।
ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, ভোট গণনায় জালিয়াতি করে জনগণের ভোটে নির্বাচিত ইউপি সদস্য রশিদ আহমদ সোনামকে প্রায় সাড়ে চার বছর তার পদ থেকে বঞ্চিত রাখা হয়। অবশেষে দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে তিনি তার পদ ফিরে পেলেন।







