খেলাধুলা
ভারতকে কোণঠাসা করে দিল উইন্ডিজ, মেলাতে হবে আরও কঠিন সমীকরণ

ছবি : সংগৃহীত
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১০৭ রানের বড় জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই জয়ে গ্রুপ ১-এ বড় ধাক্কা লেগেছে। চাপে পড়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও সহ-আয়োজক ভারত।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের ধরন ভারতকে জন্য ভালো বার্তা দিচ্ছে না। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারত ৭৬ রানে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। সেই হারে ভারতের নেট রান রেট নেমে গেছে -৩.৮০০ এ। এখন তারা টেবিলের তলানিতে।
ভারতের সমীকরণ এখন পরিষ্কার। সেমিফাইনালে যেতে হলে বাকি দুই ম্যাচ জিততেই হবে। চেন্নাইয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এবং কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলবে তারা। শুধু জিতলেই হবে না। জিততে হবে বড় ব্যবধানে।
দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ বড় জয় পেয়েছে। তাই ভারতের নেট রান রেটে বড় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এই ব্যবধান পুষিয়ে নিতে হলে ৭০ থেকে ৮০ রানে জিততে হবে। অথবা ১২ থেকে ১৩ ওভারের মধ্যে লক্ষ্য তাড়া করে জিততে হবে। অল্প ব্যবধানে জিতলে ঝুঁকি থেকেই যাবে। সেক্ষেত্রে সুপার এইট থেকেই বিদায় নিতে হতে পারে।
গ্রুপে যদি ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সবার পয়েন্ট চার হয়, তখন নেট রান রেটের দশমিক হিসাবেই ঠিক হবে কে যাবে সেমিতে। গ্রুপের বর্তমান যা পরিস্থিতি, তাতে ৩ দলের ৪ পয়েন্টে এসে আটকে যাওয়াটা অসম্ভব দেখাচ্ছে না। সেটা শেষমেশ হয়েই গেলে ভারতের কাজটা আরও কঠিনই হয়ে পড়বে।
ভারতের সহজ পথ এখনও বন্ধ হয়নি। তবে সেক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে তাদেরকে। প্রোটিয়াদেরকে সব ম্যাচ জিততে হবে। তারা যদি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে ছয় পয়েন্ট পায়, তাহলে দ্বিতীয় স্থানের লড়াই সহজ হবে। তখন ভারত যদি দুই ম্যাচ জেতে, তাদের পয়েন্ট হবে চার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়ে থাকবে দুই পয়েন্টে।
তবে যেভাবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলছে, তাদের থামানো সহজ হবে না। দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এই দল আত্মবিশ্বাসে ভরপুর।
ভারত তাদের পরের ম্যাচ খেলবে বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। এরপর রবিবার ১ মার্চ ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে তারা। এই দুই ম্যাচেই নির্ধারিত হবে ভারতের ভাগ্য।






