সারাদেশ
থানায় হামলার অভিযোগ, যুবকের চুল ধরে টেনে নিয়ে গেল পুলিশ

ছবি : সংগৃহীত
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। থানার সামনে এ ঘটনা ঘটায় নেতাকর্মীরা থানায় আশ্রয় নিতে যান। এতে বাধা দেয় পুলিশ। এ সময় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটে। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন।
এ ঘটনায় পুলিশ উলাদ হোসেন নামে এক যুবককে আটক করে। তাকে চুল ধরে থানায় নেওয়ার দৃশ্য সম্বলিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। দুই পুলিশ সদস্য তাকে চুল ধরে থানায় নিয়ে যান। ওই যুবক বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে।
আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- এএসআই জাহিদ, কনস্টেবল পিকুল ও সেলিম। এর মধ্যে দুজনকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২ টার দিকে কালীগঞ্জ থানার সামনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রাশেদ খানের নির্বাচনি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সভায় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। সংঘর্ষের সময় তিনি থানার ভেতরে অবস্থান নেন।
থানা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল ১১ টায় শিশু তাবাসসুম হত্যার ঘটনায় থানায় সদর সার্কেলের এএসপি সাংবাদিকদের ব্রিফ করছিলেন। প্রেস ব্রিফিংয়ের শেষ দিকে হঠাৎ থানার মধ্যে চিৎকার শোনা যায়। এরপর উলাদ হোসেন নামে এক যুবকের চুল ধরে হাজতে নেয় পুলিশ। তার বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ আছে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন আগে জানিয়েছিলেন,বিএনপির সমন্বয় সভা চলছিল। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে। পরে তারা থানায় ঢুকে পুলিশের ওপর হামলা চালান। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়।
এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে ওসি জেল্লাল বলেন, আমি এখনো ঝিনাইদহের শিশু তাবাসসুমের হত্যার ঘটনাস্থলে আছি। থানায় গিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারব। এ বিষয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই নাজমুল বলেন, এ ঘটনায় এখনো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ মামলার নির্দেশনা দেয়নি। তবে উলাদ হোসেন থানা হাজতে আছেন।





