আন্তর্জাতিক
ইসরাইলে তীব্র হচ্ছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের তাণ্ডব, বাড়ছে হতাহত

ছবি : সংগৃহীত
ইসরাইলে সাম্প্রতিক ইরানি হামলা পর্যবেক্ষণ করছেন উগ্র ইহুদিবাদী ভূখণ্ডটির মধ্যাঞ্চলে কর্মরত সাংবাদিক সামাহ ওয়াতাদ। তিনি বলছেন, ইরানি হামলার কারণে মধ্য ইসরাইলজুড়ে সাইরেন বেজে ওঠে এবং লেবানন থেকে ছোড়া একটি মিসাইল উত্তর ইসরাইলে একটি গাড়িতে আঘাত হেনেছে।
তিনি আরও বলেন, মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে এটি তৃতীয় হামলা। যুদ্ধের শুরুর দিকের তুলনায় এখন হামলার গতি বাড়ছে ও ‘আরও তীব্র হচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, রাতভর আরাদ ও ডিমোনায় হামলায় প্রায় ১০০ জন আহত হয়েছেন এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো কেন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা প্রতিহত করা যায়নি, তা নিয়ে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। পারমাণবিক কেন্দ্রে আঘাতের কোনো নিশ্চিত খবর পাওয়া না গেলেও ওয়াতাদ উল্লেখ করেছেন যে, সংবেদনশীল স্থান এবং ইসরাইলজুড়ে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে ‘কঠোর সেন্সরশিপ’ রয়েছে।
ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, লেবানন থেকে ছোড়া একটি প্রজেক্টাইল (গোলা বা রকেট) উত্তর ইসরাইলের মিসগাভ আম এলাকায় একটি গাড়িতে আঘাত হানলে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

ইসরাইলের অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার পরিচালক এলি বিন চ্যানেল ১২-কে নিশ্চিত করেছেন যে, মিসগাভ আমে গাড়ির ভেতরে আটকে পড়া ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমটির টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, দুটি গাড়ি দাউ দাউ করে জ্বলছিল।
লেবানন থেকে একের পর এক হামলা
লেবানন থেকে হিজবুল্লাহর ছোড়া একটি প্রজেক্টাইল (ক্ষেপণাস্ত্র বা রকেট) উত্তর ইসরাইলের একটি শহরে আঘাত হেনেছে, যার কারণে ক্ষয়ক্ষতি ও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সের একটি পোস্টে আভিচাই আদ্রাই জানান, কিছুক্ষণ আগে ঘটনাটি ঘটেছে এবং বর্তমানে এটি তদন্তাধীন রয়েছে। হতাহতের সংখ্যা বা আঘাতের তীব্রতা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
সূত্র: আলজাজিরা।







