আন্তর্জাতিক

ইসরাইলে তাণ্ডব চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র স্বীকার করল: মোজতবা খামেনি জীবিত

সিবিএস নিউজ।

শেয়ারঃ

ইসরাইলে তাণ্ডব চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র স্বীকার করল: মোজতবা খামেনি জীবিত

ছবি : সংগৃহীত

ইসরাইলের একাধিক শহরকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইরান। প্রতিশোধমূলক হামলার অংশ হিসেবে শনিবার (২১ মার্চ) দফায় দফায় ব্যালিস্টিক মিসাইল ছুড়ে অবৈধ ভূখণ্ডটির আরাদ, ডিমোনাসহ বেশ কয়েকটি শহরকে নরক বানিয়ে দিয়েছেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির সেনারা।


এরপর পরই যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন যে, মোজতবা খামেনি জীবিত আছেন। যদিও গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটন ও তেল আবিব যৌথভাবে ইরানে আগ্রাসন শুরু করার পর থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট মোজতবা খামেনির জীবিত থাকা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করে আসছিলেন।


এবার মার্কিনিদের বিশ্বাসে পরিবর্তন এসেছে। ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি জীবিত আছেন বলে মার্কিন কর্মকর্তারা ধারণা করছেন।

এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, মোজতবা খামেনি জীবিত থাকলেও তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে কেমন তা নিশ্চিত নয়।

মোজতবা খামেনি হলেন ইরানের পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে, যিনি যুদ্ধের প্রথম দিনেই এক হামলায় নিহত হন। শুক্রবার (২০ মার্চ) ইরানের নববর্ষ উপলক্ষেও মোজতবাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।


তিন দশক ধরে দেশটির সর্বোচ্চ নেতারা সাধারণত এই বিশেষ দিনে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে আসছেন। তবে এ বছর ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নতুন নেতার পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি এবং একটি ছবি প্রকাশ করেছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, খামেনির অনুপস্থিতি বিশেষভাবে লক্ষণীয়; কারণ বর্তমান সংঘাতের সময়ে একটি জনসমক্ষে ভাষণ একতা প্রদর্শনের ভালো সুযোগ হতে পারত।

ধারণা করা হচ্ছে, যে হামলায় তার বাবা নিহত হয়েছিলেন, সেই একই হামলায় মোজতবাও আহত হয়েছিলেন।


মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, তাসনিম কর্তৃক প্রকাশিত ছবিটির সত্যতা যাচাইয়ের চেষ্টা চলছে এবং এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি কিনা তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে শনিবার (২১ মার্চ) ইসরাইলের আরাদ ও ডিমোনায় দফায় দফায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। এতে অন্তত ৬জন নিহত এবং আরও শতাধিক ইসরাইলি আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।


সূত্র: সিবিএস নিউজ।



সম্পর্কিত খবর