সারাদেশ
ছুরিকাঘাতে বিএনপি কর্মীকে হত্যা
ছবি : সংগৃহীত
বগুড়ায় পাওনা টাকা নিয়ে মামলা ও বিরোধের জেরে আরিফুল ইসলাম মুন্না (৫১) নামে এক বিএনপি কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
সোমবার রাত ১১টার দিকে সদর উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের খন্দকারপাড়ায় হাইস্কুলের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে তিনি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে মারা যান।
পুলিশ ও স্বজনরা জানান, আরিফুল ইসলাম মুন্না বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোড় ইউনিয়নের খন্দকারপাড়া গ্রামের মৃত ডা. ইয়াসিন আলীর ছেলে। তিনি ফাঁপোড় ইউনিয়ন বিএনপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন। একই এলাকার আবদুল আজিজের ছেলে আবদুল সায়েম কিছুদিন আগে আরিফুল ইসলাম মুন্নার কাছে টাকা ধার নেন। নির্দিষ্ট সময়ে টাকা ফেরত না দেওয়ায় মুন্না তার বিরুদ্ধে আদালতে চেকের মামলা করেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। মামলা তুলে নিতে সায়েম তাকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
মুন্না সোমবার রাত ১১টার দিকে ছেলের রুটি কেনার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। পথিমধ্যে ফাঁপোড় হাইস্কুলের সামনে পৌঁছলে পূর্ব বিরোধের জের ধরে সায়েম ও তার লোকজন মুন্নার ওপর হামলা চালান। একপর্যায়ে সায়েম ছুরি বের করে মুন্নার পেটে ঢুকিয়ে দিয়ে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা রক্তাক্ত মুন্নাকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে তিনি মারা যান। সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
বগুড়া সদরের ফাঁপোড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন জানান, নিহত মুন্না তার সংগঠনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তিনি এ হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেছেন।
নিহতের স্ত্রী নিলুফা ইয়াসমিন জানান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে এতিম হয়ে গেল। তিনি ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোস্তাফিজ আলম জানান, পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে সায়েম ছুরিকাঘাত করলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুন্না মারা যান। মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত এ ব্যাপারে মামলা হয়নি। আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।






