সারাদেশ
অপহরণের অভিযোগে যুবদল নেতা বহিষ্কার

ছবি : সংগৃহীত
অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে বগুড়া শহর যুবদলের সহ-সভাপতি রায়হান শরীফ মাসুমকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক সাজু আহম্মেদ রবি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বগুড়া আদালত চত্বর থেকে হাজিরা দিতে আসা নয়ন নামে এক যুবককে অপহরণের অভিযোগ ওঠে মাসুমের বিরুদ্ধে। অপহৃত ওই যুবককে উদ্ধার করতে গিয়ে মারধরের শিকার হন স্থানীয় শ্রমিক দল নেতা শহিদুল ইসলাম। সোমবার (২ মার্চ) রাতে শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার একটি ভবন থেকে দুজনকে উদ্ধার করে পুলিশ।
ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপচাঁচিয়া উপজেলার বাসিন্দা নয়নের সঙ্গে কাহালুর রেজাউল নামে এক ব্যক্তির টাকা লেনদেন নিয়ে মামলা চলছে। সোমবার ওই মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে আসেন নয়ন। হাজিরা শেষে আদালত চত্বর থেকে মাসুমের নেতৃত্বে একদল লোক নয়নকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে নয়নের আত্মীয় ও শহিদুল ইসলাম তাকে উদ্ধার করতে জলেশ্বরীতলা এলাকার একটি ভবনের তিনতলায় যান। সেখানে নয়নকে আটকে রেখে মারধর করা হচ্ছিল। শহিদুল সেখানে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাকেও আটক করে শারীরিক নির্যাতন চালায়। সোমবার সন্ধ্যার আগে বগুড়া সদর থানা-পুলিশ অভিযান চালিয়ে নয়ন ও শহিদুলকে উদ্ধার করে। তবে পুলিশের উপস্থিতির আগেই অভিযুক্তরা সেখান থেকে সরে যায়।
জেলা যুবদলের দপ্তর সম্পাদক সাজু আহম্মেদ রবি জানান, ঘটনায় জড়িত শহর যুবদলের সহ-সভাপতি রায়হান শরীফ মাসুমকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রায়হান শরীফ মাসুম পলাতক রয়েছে। তার মোবাইল বন্ধ থাকায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম বলেন, অপহৃত নয়ন ও শহিদুল ইসলামকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। তবে অভিযানের সময় সেখানে অভিযুক্ত কাউকে পাওয়া যায়নি। অপহরণ ও মারধরের ঘটনায় মাসুমসহ জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






